বিশ্বকাপের শেষ-১৬ থেকে বিদায় নিয়ে মাঠের হতাশা জাগিয়েছে ব্রাজিলীয় ভক্তদের মধ্যে। তবু টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেলেও আর্থিক দিক থেকে তারা বড় এক ভরসা নিয়ে বাড়ি ফিরছে। ফিফার নির্ধারিত পুরস্কার কাঠামো অনুযায়ী, শেষ-১৬ থেকে বিদায় নেওয়া প্রতিটি দল পায় ১.৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং প্রতিটি দলকে অংশগ্রহণভিত্তিক সুবিধা হিসেবে দেওয়া হয়েছে আরও ১.০৫ মিলিয়ন ডলার (যার মধ্যে প্রস্তুতি ব্যয়ের জন্য আলাদা অংশ রাখা হয়)। ফলে ব্রাজিলের মোট প্রাপ্তি দাঁড়ায় প্রায় ২.৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বর্তমান বিনিময়হার ১ মার্কিন ডলার = ১২৪ টাকা ধরলে বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩১ কোটি ৬২ লাখ টাকা।
ফিফা এই বিশ্বকাপে মোট প্রাইজপুল হিসেবে ঘোষণা করেছে প্রায় ৭২৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৯ হাজার ১৪ কোটি ৮০ লাখ টাকারও বেশি। এই বাজেট ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। টুর্নামেন্টের শীর্ষস্থান অধিকারী দল পাবে প্রায় ৫ কোটি মার্কিন ডলার (প্রায় ৬২০ কোটি টাকা)—আরও নীচে থাকা দলগুলোও যথাক্রমে লক্ষ্যণীয় পুরস্কার পান।
মাঠে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স দেখাতে না পারলেও এই বিপুল অর্থ ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)-এর কোষাগারকে শক্ত করবে। ফেডারেশনের পরিচারকদের মতে, এই তহবিল ভবিষ্যতে দেশের ফুটবল ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন, তৃণমূল স্তরের প্রতিভা বিকাশ এবং জাতীয় দলে দীর্ঘমেয়াদী প্রস্তুতি বৃদ্ধির জন্য কাজে লাগবে—বিশেষ করে আগামী ২০৩০ বিশ্বকাপকে লক্ষ্য করে। সুতরাং ভক্তদের হতাশা থাকলেও আর্থিক দিক থেকে এই আয়ের সম্ভাব্য প্রভাব ব্রাজিল ফুটবলের ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক হতে পারে।














