ঢাকা | শুক্রবার | ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩রা সফর, ১৪৪৮ হিজরি

অর্থনীতি

ভারতের নিষেধাজ্ঞায় বেনাপোল থেকে রপ্তানি অর্ধেকে নামা, বাণিজ্য ঘাটতির আশঙ্কা

ভারতের একতরফা বিধিনিষেধ ও শর্তের কারণে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশি পণ্যের ভারতে রপ্তানি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশের সরকার পরিবর্তনের পর থেকে আরোপিত এসব বিধিনিষেধের প্রভাব দুই বৎসর পার হওয়ার পরও রয়ে গেছে এবং এর নেতিবাচক প্রতিফলন পড়ছে দেশের সামগ্রিক বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে। বন্দর কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেনাপোল দিয়ে ভারতে রপ্তানি হয়েছিল মোট ৩

সরকার তিন দেশ থেকে ১ লাখ ৮৫ হাজার টন সার আমদানির সিদ্ধান্ত

দেশের কৃষি উৎপাদন বজায় রাখা এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মরক্কো, সৌদি আরব ও রাশিয়া থেকে মোট ১ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই আমদানিতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৬৩৬ কোটি ৪২ লাখ ৩১ হাজার ৩২ টাকা। বুধবার (১৫ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির

সরকার তিন দেশ থেকে ১ লাখ ৮৫ হাজার টন সার আমদানিতে জোর দিচ্ছে — ব্যয় ১,৬৩৬ কোটি ৪২ লাখ ৩১ হাজার ৩২ টাকা

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখতে মরক্কো, সৌদি আরব ও রাশিয়া থেকে মোট ১ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই আমদানিতে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৬৩৬ কোটি ৪২ লাখ ৩১ হাজার ৩২ টাকা। বুধবার (১৫ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি (সিসিজিপি)-এর এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনটি

ভারতের নিষেধাজ্ঞায় বেনাপোলে রপ্তানি অর্ধেক: বাণিজ্যে ঘাটতির আশঙ্কা

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর ভারতের আরোপিত বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা ও শর্তের ফলে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্যে আশঙ্কাজনক ধস দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশি পণ্যের ভারতে প্রবেশে বিধিনিষেধ আরোপের পর থেকে প্রায় দুবছর পার হলেও ওই একতরফা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হয়নি; ফলশ্রুতিতে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও রপ্তানি বাণিজ্যে তা নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেনাপোল দিয়ে

মরক্কো, সৌদি আরব ও রাশিয়া থেকে ১ লাখ ৮৫ হাজার টন সার আমদানি করবে সরকার; ব্যয় ১,৬৩৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা

বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদন অটুট রাখার লক্ষ্য এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মরক্কো, সৌদি আরব ও রাশিয়া থেকে মোট ১ লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই বড় মাত্রার সার আমদানির জন্য রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৬৩৬ কোটি ৪২ লাখ ৩১ হাজার ৩২ টাকা। বুধবার (১৫ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সরকারি

পুঁজিবাজারে মিশ্র প্রবণতা, দুই এক্সচেঞ্জেই লেনদেন কমেছে

দেশের পুঁজিবাজারে বুধবার সূচকগুলো বাড়ার মধ্যেও দুই প্রধান শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় চোখে পড়ার মতোভাবে কমেছে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ হ্রাসের প্রভাবেই সূচক-উত্থানের পাশাপাশি মোট লেনদেন কম থাকার এই চিত্র দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯২৬ পয়েন্টে শেষ করেছে। একই সময়ে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট তুলে ১ হাজার ২০৮

রপ্তানি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে বেপজার অভূতপূর্ব রেকর্ড

বিশ্ব অর্থনীতির মন্দা ও সার্বিক রপ্তানির নেতিবাচক পরিবেশের মধ্যেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। সাম্প্রতিক অর্থবছরে বেপজা শুধু রপ্তানি আয় বাড়িয়েছে না, বরং বিনিয়োগ আকর্ষণ ও নতুন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য মাইলফলক তৈরি করেছে। তথ্য থেকে জানা যায়, যখন দেশের মোট রপ্তানি আয় ০.৫৮ শতাংশ কমেছে, তখন বেপজার আওতাধীন জোনগুলোর রপ্তানি গত বছরের তুলনায়

বড় মূলধনী শেয়ারদের প্রভাবেই পুঁজিবাজারে সূচক বাড়ল

সপ্তাহের চতুর্থ কর্মদিবস বুধবার দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোটামুটি মিশ্র চিত্র দেখা গেছে। সকাল সেশনে বড় ও ликুইড শেয়ারের দর বাড়ানোর ফলে সূচক এক সময় প্রায় ৫৫ পয়েন্ট পর্যন্ত উঠে গেলো, তবে দিনের মাঝে বিমা ও বস্ত্র খাতের ব্যাপক দরপতনের প্রভাব বাজারে ঋণাত্মক চাপ সৃষ্টি করে। শেষপর্যন্ত বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের স্থিতিশীলতা সূচককে ইতিবাচক

রপ্তানি, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে বেপজার নতুন রেকর্ড

বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার মুখে থাকলেও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি দেখিয়েছে। জাতীয় পর্যায়ে সামগ্রিক রপ্তানি পরিস্থিতি কিছুটা নেতিবাচক থাকলেও বেপজার জোনগুলোতে উৎপাদন ও রপ্তানি অটুট থাকার কারণে সংস্থাটির অর্জন নজরকাড়া। তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী অর্থবছরে দেশের মোট রপ্তানি আয় শূন্য দশমিক ৫৮ শতাংশ হ্রাস পেলেও বেপজার আওতাধীন জোনগুলোর রপ্তানি গত বছরের তুলনায় ২ দশমিক ২০ শতাংশ

বড় মূলধনী কোম্পানির দাপটে পুঁজিবাজারে ঊর্ধ্বগতি

সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিমা ও বস্ত্র খাতের শেয়ারে ব্যাপক দরপতনের মধ্যেও প্রধান সূচক ইতিবাচক অবস্থায় বন্ধ হয়েছে। বড় মূলধনী ও মৌলিকভাবে শক্তিশালী কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা সূচককে সমর্থন করে দিনশেষে ঊর্ধ্বগতি নিশ্চিত করেছে। সপ্তাহের আগের তিনদিনের মতো চলতি সপ্তাহের চারদিনই উভয় কৌশলগত বাজারে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী ধারা দেখা গেছে। লেনদেন শুরুর সময় ডিএসইতে বিধিবদ্ধ কয়েকটি