ঢাকা | রবিবার | ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৪ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

অর্থনীতি

ঈদকে ঘিরে রেমিট্যান্সে ঝাঁপ: ২৩ দিনে প্রায় ২৯৭ কোটি ডলার

আসন্ন ঈদুল আজহার প্রস্তুতিতে প্রবাসী আয় দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ পথে দেশে আসে মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। এ সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রবাহিত হয়েছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবারের

কোরবানির ঈদে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে চার লাখ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা

কোরবানির ঈদ আজকাল শুধু ধর্মীয় অনুষ্টানই নয় — এটি দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির এক বিশাল ও কার্যকরী মৌসুমে পরিণত হয়েছে। নীতিনির্ধারক এবং ব্যবসায়ীদের আনুমানিক হিসেব মিলে ২০২৬ সালের কোরবানিকে কেন্দ্র করে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি থেকে চার লাখ কোটি টাকার বাণিজ্য সম্ভাব্য বলে দেখা হচ্ছে। ঈদ থেকে সৃষ্ট এই অর্থনৈতিক প্রবাহের সবচেয়ে বড় লাভভোগী হচ্ছে গ্রামীণ অর্থনীতি।

ঈদকে সামনে রেখে রেমিট্যান্স বাড়ল: ২৩ দিনে দেশে পৌঁছেছে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার প্রস্তুতি আর উৎসবের খরচ মেটাতে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে明显 উত্থান দেখা যাচ্ছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ পথে বাংলাদেশে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান

কোরবানির ঈদে দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ৩–৪ লাখ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা

কোরবানির ঈদ এখন শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়—বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির একটি বড় অধ্যায়। নীতিনির্ধাকারী ও ব্যবসায়ী নেতাদের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২৬ সালের এই ঈদে পশু-সহ আনুষাঙ্গিক খাত মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি থেকে চার লাখ কোটি টাকার বাণিজ্য হতে পারে। ঈদের এই ব্যাপক অর্থনৈতিক গতিবিধির বড় অংশ সরাসরি গ্রামীণ অর্থনীতিতে পৌঁছে যায়। লাখো ক্ষুদ্র খামারি ওপরিবার এই সময়ে প্রধান আয়ের উৎস

কোরবানির ঈদে দেশে সাড়ে তিন লাখ থেকে চার লাখ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা

পবিত্র ঈদুল আজহা এখন কেবল ধর্মীয় উৎসবই নয়—বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির জন্য এটি একটি বিশাল অর্থনৈতিক চক্রে পরিণত হয়েছে। নীতিনির্ধক ও ব্যবসায়ী নেতাদের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২৬ সালে কোরবানির পশু ও সংশ্লিষ্ট খাতে দেশের মোট বাণিজ্য সাড়ে তিন লাখ কোটি থেকে চার লাখ কোটি টাকার মধ্যে দাঁড়াতে পারে। এই বিশাল অর্থনৈতিক তরঙ্গের বড় অংশ সরাসরি গ্রামীণ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়, যেখানে লাখো ক্ষুদ্র

ঈদে বাড়ল রেমিট্যান্স: ২৩ দিনে দেশে পাঠানো হয়েছে ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার ডলার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ পথে প্রবাসীরা মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানায়। এই সময় মধ্যে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার। ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন যে, গত বছরের একই

ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স বাড়ল: ২৩ দিনে এসেছে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার প্রস্তুতিতে প্রবাসী আয়ের প্রবাহ তীব্রভাবে বাড়ছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ পথে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স হিসেবে এসেছে মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে এই পরিসংখ্যান নিশ্চিত করেছেন। এই ২৩ দিনে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১২ কোটি ৯৪ লাখ

কোরবানির ঈদে অভ্যন্তরীণ বাজারে সম্ভাব্য ৩–৪ লাখ কোটি টাকার বাণিজ্য

কোরবানির ঈদ এখন শুধু ধর্মীয় উৎসবই নয় — দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির অন্যতম বড় মরসুমেও পরিণত হয়েছে। নীতিনির্ধাক ও ব্যবসায়ীদের অনুমান অনুযায়ী ২০২৬ সালে কোরবানির পশু ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের কারণে দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি থেকে চার লাখ কোটি টাকার বাণিজ্যিক লেনদেন হয়ে থাকতে পারে। বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি জানিয়েছে, ‘‘কোরবানির ঈদ দেশের সবচেয়ে বড় মৌসুমি বাজারগুলোর এক’’. এই

ঈদকে সামনে রেখে রেমিট্যান্স বাড়ল: ২৩ দিনে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সের প্রবাহে তীব্র বৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। মে মাসের প্রথম ২৩ দিনে বৈধ পথে প্রবাসীরা মোট ২৯৭ কোটি ৬০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই সময়ে প্রতিদিন গড়োকড়ে দেশে ১২ কোটি ৯৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রবিবার গণমাধ্যমকে

কোরবানির ঈদে অভ্যন্তরীণ বাজারে সাড়ে তিন থেকে চার লাখ কোটি টাকার বাণিজ্যের সম্ভাবনা

পবিত্র ঈদুল আজহা এখন শুধুই ধর্মীয় উৎসব নয়—এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির অন্যতম বড় মৌসুমি কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে। নীতিনির্ধাক ও ব্যবসায়ীদের প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২৬ সালের কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে দেশে প্রায় সাড়ে তিন লাখ কোটি থেকে চার লাখ কোটি টাকার বিশাল বাণিজ্যিক লেনদেন ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বিশাল অর্থনৈতিক গতিবিধির কেন্দ্রে আছে গবাদিপশু ব্যবসা। সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যান বলছে, এ বছরে