ঢাকা | শনিবার | ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

সপ্তাহের শেষ দিনে ডিএসই ও সিএসইতে সূচক ও লেনদেন বৃদ্ধি

সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেশের দুই প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) উভয় স্থানে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। এদিন উভয় বাজারেই মূল্যসূচক বাড়ার পাশাপাশি লেনদেনেও উল্লেখযোগ্য বাড়তি রেকর্ড হয়েছে বলে ডিএসই ও সিএসই সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬৫২ পয়েন্টে অবস্থান করেছে। একই সঙ্গে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৩ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৪৩ পয়েন্টে ও ডিএসই-৩০ সূচক ৩ পয়েন্ট বাড়লে ২ হাজার ১৩১ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এদিন ডিএসইতে মোট ১ হাজার ১১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা গত কার্যদিবসের তুলনায় প্রায় ১৭০ কোটি টাকার বেশি (গতকাল ছিল ৯৪০ কোটি ২১ লাখ টাকা)।

ডিএসইতে এদিন মোট ৩৯৫টি প্রতিষ্ঠান ও ইউনিটে লেনদেন হয়েছে; এর মধ্যে ২৭৩টির বাজারদর বাড়েছে, ৬৮টির দাম কমেছে এবং ৫৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষে ছিলেন বেক্সিমকো ফার্মা, আইপিডিসি, ন্যাশনাল ফিড, ব্র্যাক ব্যাংক ও সামিট পোর্টের মতো বড় নামগুলো। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার উত্থান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ১৫ হাজার ১৪৯ পয়েন্টে উঠেছে। সিএসইতে লেনদেনকৃত ২৪০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩৩টির দাম বেড়েছে এবং ৬৯টির দাম কমেছে। সিএসইতে এদিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৯৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা বেশি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সপ্তাহের শেষ দিকে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা সেক্টরভিত্তিক কেনাকাটা ও পুনরুক্তার প্রবণতার কারণে সৃষ্টি হয়েছে এবং এটি বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ধারাবাহিক ফলাফল ও নির্বাচনী ক্যালেন্ডার ছাড়াও ঝুঁকি-প্রবণতা নিয়ন্ত্রনে বাজারে সচেতন বিনিয়োগকারীর অংশগ্রহণ বাড়লে এমন ইতিবাচক পরিবর্তন ধরে রাখা সম্ভব।