সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেশের পুঁজিবাজারে চাপ কমে এবং সাধারণভাবে ইতিবাচক সুর লক্ষ্য করা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) দুই প্ল্যাটফর্মেই মূল্যসূচক বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লেনদেনের চাপও বাড়ছিল বলে ডিএসই ও সিএসই সূত্রে জানা গেছে।
ডিএসইতে ওইদিন প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৩৫ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬৫২ পয়েন্টে পৌঁছেছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক তিন পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৪৩ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচকও তিন পয়েন্ট বাড়ে ২ হাজার ১৩১ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে। রোববারের তুলনায় নয়—গত কাজের দিনের (বুধবার) তুলনায় এদিন লেনদেন বেশি বাড়েছে। ডিএসইতে মোট ১ হাজার ১১০ কোটি ৭৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের ৯৪০ কোটি ২১ লাখ টাকার লেনদেনের তুলনায় প্রায় ১৭০ কোটি টাকা বেশি।
বাজারে মোট ৩৯৫টি কোম্পানি ও ইউনিটের শেয়ার লেনদেন হয়েছে; এর মধ্যে ২৭৩টির দাম বেড়েছে, ৬৮টির দাম কমেছে এবং ৫৪টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা, আইপিডিসি, ন্যাশনাল ফিড, ব্র্যাক ব্যাংক ও সামিট পোর্টসহ বেশ কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠান। বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের মান বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আরেকবার আশাব্যঞ্জক মনোভাব তৈরি হয়েছে।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই রকম ধারা দেখা গেছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ২৯ পয়েন্ট বাড়ে এবং ১৫ হাজার ১৪৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়। সিএসইতে 이날 ২৪০টি প্রতিষ্ঠান লেনদেন করেছিল; এর মধ্যে ১৩৩টির শেয়ারের দাম বাড়ে এবং ৬৯টির দাম কমে। লেনদেনের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যা আগের দিনের ৫৮ কোটি ৮০ লাখ টাকার তুলনায় প্রায় ৪০ কোটি টাকা বেশি।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সপ্তাহের শেষ দিকে এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষত কয়েকটি বড় কোম্পানির শেয়ারে স্থিতিশীলতা ও লেনদেনে জোর পাওয়ায় বাজারে ইতিবাচক সঙ্কেত দেখা যাচ্ছে। তবে তারা সতর্ক করে বলছেন যে দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা নির্ধারণে আগামিদিনের কার্যক্রম ও অর্থনীতির সামগ্রিক সূচকও বিবেচ্য হবে।














