ঢাকা | বুধবার | ৮ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বিশ্বকাপের শেষ চার ম্যাচে নতুন অফিসিয়াল বল ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এখন টুর্নামেন্টের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ অংশে এসে পৌঁছেছে। সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনাল—এই চারটি রেস্ট্রি ম্যাচকে সামনে রেখে ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস নতুন অফিসিয়াল ম্যাচ বল উন্মোচন করেছে।

‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’ নামের এই বিশেষ সংস্করণ মূল ‘ট্রিওন্ডা’ বলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে; যেটি গত অক্টোবরে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যে মূল বলের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলেও বাহ্যিক নকশায় এবং সৌন্দর্যে এতে বিশেষ পরিবর্তন আনা হয়েছে, যাতে টুর্নামেন্টের ফাইনাল মুহূর্তগুলোর মর্যাদা প্রতিফলিত হয়।

ডিজাইনে কালো ভিত্তির ওপর সোনালি রঙে ট্রফির প্রতিচ্ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যা জয়ের প্রতীক হিসেবে বলটিকে এক শ্রেণির আভিজাত্য দিয়েছে। পাশাপাশি এই বলটিতে ২০২৬ সালের ১৬টি স্বাগতিক শহরের নামও সুন্দরভাবে স্থান পেয়েছে। বিশেষভাবে সেমিফাইনাল ও ফাইনালের ভেন্যু ডালাস, আটলান্টা, মায়ামি ও নিউজার্সিকে হাইলাইট করা হয়েছে। ত্রিভুজ আকারের গ্রাফিক নকশায় বোস্টন, লস অ্যাঞ্জেলেস, মেক্সিকো সিটি, সিয়াটল, টরন্টোসহ বাকি শহরগুলোর নামও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

নকশার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত দিক থেকেও বলটি অত্যাধুনিক। এতে ‘কানেক্টেড বল টেকনোলজি’ ব্যবহৃত হয়েছে, যার ফলে বলের প্রত্যেকটি স্পর্শের তথ্য রিয়েল-টাইমে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) ও ম্যাচ কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছে যাবে। এর ফলে অফসাইড বা বল স্পর্শের মত জটিল সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত ও আরও নির্ভুলভাবে নেওয়া সম্ভব হবে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো উচ্ছ্বাস ব্যক্ত করে বলেন, এই বিশেষ সংস্করণ তিন স্বাগতিক দেশের ঐক্য এবং ফুটবলের প্রতি মানুষের আবেগের প্রতীক; বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়রা এই বল নিয়ে নতুন ইতিহাস রচনা করবে—এটাই তার প্রত্যাশা।

নতুন ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’ সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ এবং ফাইনালে ব্যবহার করা হবে এবং এসব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে আরও স্মরণীয় করে তুলবে।