বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র দুই দিন আগে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল শিবিরে বড় ধরনের স্বস্তি বিরাজ করছে। পায়ের পেশির চোট কাটিয়ে দ্রুত সেরে উঠছেন দলের সেরা তারকারা বলা নেইমার জুনিয়র; ব্রাজিলিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) সোমবার (৮ জুন) রাতে জানিয়েছে, তার পুনরুদ্ধারে ইতিবাচক অগ্রগতি দেখা গেছে।
গত মাসের শেষ দিকে সান্তোসের হয়ে খেলার সময় ৩৪ বছর বয়সী নেইমার পায়ের পেশিতে চোট পান। পরবর্তী পরীক্ষায় তা গ্রেড-২ মাসল টিয়ার বা মাংসপেশির আংশিক ছিঁড়ে যাওয়া হিসেবে ধরা পড়ে, ফলে জরুরিভাবেই তাকে দুই থেকে তিন সপ্তাহ বিশ্রামে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল।
চোটের কারণে নেইমার দলকে নিয়ে পানামা ও মিশরের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ দুটিতে অংশ নিতে পারেননি। তবু তার অনুপস্থিতিতেই ব্রাজিল ওই দুই ম্যাচে যথাক্রমে ৬-২ ও ২-১ গোলের জয় পেয়েছে, যা শিবিরের ঘরোয়া আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে।
সিবিএফ জানায়, সোমবার করা নতুন স্ক্যান ও পরীক্ষায় মেডিকেল টিম বেশ আশাবাদী রিপোর্ট পেয়েছে। চিকিৎসকরা বলছেন নেইমারের চিকিৎসা প্রক্রিয়া ভালো গতিতে চলছে এবং প্রত্যাশার মধ্যে অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে। তাঁরা এখন পুনর্বাসন ও শারীরিক ফিটনেস ফেরানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন, যাতে তিনি দ্রুত অনুশীলনে ফিরতে পারেন।
নেইমারের জটিল চোটের ইতিহাসও দীর্ঘ: ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিনি ACL চোটে পড়ে এবং দীর্ঘ সময় জাতীয় দলের বাইরে ছিলেন। নতুন পরীক্ষার রিপোর্টের পর থেকেই ধারণা করা হচ্ছে, তিনি দ্রুতই পুরো দলীয় অনুশীলনে যোগ দিতে পারবেন এবং বিশ্বকাপের প্রথম স্কোয়াডেও জায়গা পেতে পারেন।
ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ হবে ১৩ জুন, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ মরক্কো। ‘সি’ গ্রুপে আরো রয়েছে স্কটল্যান্ড ও হাইতি। যদি নেইমার মাঠে নামেন, তবে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের পর এটি হবে তার চার নম্বর বিশ্বকাপ। শিবিরে যে স্বস্তি ঢুকেছে, তাতে ব্রাজিলীয় ভক্তদের আশাও স্বাভাবিকভাবেই বাড়ছে।












