বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, জামায়াত প্রায়ই ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে গিয়ে নিজেরাই সমস্যায় পড়ে যায়। সীমান্ত হত্যা ও পুশব্যাকসহ নানা ঘটনার পরে ৫ আগস্টের পরও ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার কথা বলেছে তারা—এমন আচরণ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি এসব কথা বলেছেন যাত্রাবাড়ী প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১৭ জুলাই) অনুষ্ঠিত এক সভায়।
রিজভী বলেন, দেশের ইতিহাসে যাত্রাবাড়ী ও রায়েরবাগের প্রতিরোধ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এটি পৃথিবীর ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। শ্রাবণের তীব্র বৃষ্টির মধ্যে যখন গোলাগুলি চলছিল, তখন বিএনপি-ছাত্রদল, জামায়াত-শিবির, মাদ্রাসার ছাত্ররাও বুক চিতিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
তিনি আরও বলেন, ‘‘শেখ হাসিনা এদেশের মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে; তার বাবাও একইভাবে দায়ী ছিলেন—এমন বক্তব্য তুলে রিজভী প্রশ্ন তোলেন, যদি শেখ হাসিনা আবার ফিরেই রাজনীতি করতে চান, তাহলে ইয়াহিয়া ও টিক্কা খানের কি কোনো দোষ ছিল? তিনি নির্দেশ করে বলেন, শেখ হাসিনা তাদের চেয়ে কম করেছে কি?’’
রিজভী批 টকশো-সংবাদ প্রেক্ষাপটে বলেন, অনেকে টকশোতে প্রেমবশত Sheikh Hasina’র সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘‘শেখ হাসিনা এত সাহসী হলে কেন পালিয়ে গেলেন? খালেদা জিয়া তো পালাননি।’’ রিজভী আরও যুক্তি দেন, ‘‘একজন নেতার নিষ্ঠুরতাকে কারাগারে নেতাদের ওপর ভয়ংকর আচরণ না দেখলে বোঝা যাবে না। একটি ফ্যাসিস্ট বা বর্ণবাদী দলকে পুনরায় ফিরিয়ে আনা যায় না—ইতিহাসই তা প্রমাণ করে; হিটলারের দল কখনো ফিরে আসেনি।’’
সভায় রিজভী ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংগঠনের ইতিহাস, প্রতিরোধগাথা ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কথাও উল্লেখ করেন।













