মালয়েশিয়া ও চীনে ছয় দিনের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় সফর সফলভাবে শেষ করে দেশে ফেরার পথে আছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে তিনি বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ‘চায়না সাউদার্ন’-এর একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন বলে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন নিশ্চিত করেছেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে চীনের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউয়ে শিয়াওইয়ং উষ্ণ বিদায় জানান। মাতাল অতিথি সংবর্ধনা হিসেবে বিমানবন্দরে লাল গালিচা ও বিশেষ প্রটোকল গ্রহণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমানে উঠেন।
এই সফরের সূচনা হয়েছিল গত ২১ জুন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে কুয়ালালালমপুর সফর করে। কুয়ালালামপুরে দুই দিন অবস্থানের পর গত সোমবার তিনি চীনের দালিয়ানে পৌঁছান এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। দালিয়ান থেকে গত বুধবার বুলেট ট্রেনে করে তিনি বেইজিং এসে পৌঁছান।
বেইজিং সফরকালে প্রধানমন্ত্রী শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক পরিচালনা করেন। এছাড়াও তিনি ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং বেইজিংয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ শীর্ষক বিনিয়োগ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন।
সংযুক্ত সূত্র বলছে, এই সফর দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে। বেইজিংয়ে সই হওয়া ১৩টি সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের আজ রাতেই ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে।













