দুই ম্যাচে একটি করে জয় ও এক ড্র নিয়ে আগেই নকআউট পর্বের আশায় ছিল সুইজারল্যান্ড। শনিবার ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত গ্রুপ শেষ ম্যাচে স্বাগতিক কানাডাকে ২-১ গোলে হারিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষস্থান দখল করে তারা শেষ ৩২ নিশ্চিত করে দিলো। অপরদিকে প্রথমবারের মতো গ্রুপ থেকে নকআউট পর্বে উঠতে সফল হয়েছে সহ-আয়োজক কানাডা, যদিও এই ম্যাচে তারা পরাজিত হলো।
ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই করোনা-রকম ঘুরে দাঁড়ায় খেলা। খেলার দ্বিতীয়ার্ধের মাত্র ৪০ সেকেন্ড পরেই রুবেন ভার্গাস বলটিকে দারুণভাবে জালে পাঠিয়ে সুইজারল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। তাঁর শট পোস্টে লেগে গিয়ে জালে ঢুকে যায় এবং সারাজীবনের মনে রাখার মতো শুরু এনে দেয় সুইসদের।
৫৭তম মিনিটে ব্রিল এমবোলোর ক্রস থেকে ২০ বছর বয়সী মিডফিল্ডার জোহান মানজাম্বির শট ক্রেপোর হাত ফসকে জালে গিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন। মানজাম্বি এই মরসুমে দ্রুতই উঠে আসা তরুণ প্রতিভাদের একজন; গত বৃহস্পতিবার বসনিয়া-হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে ৪-১ জয়ের ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে তিনি দুই গোল করেছিলেন এবং সেই পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে এই ম্যাচে শুরু থেকেই একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন। বদলি হিসেবে নেমে বিশ্বকাপে দুই গোল করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে তার কৃতিত্বও আলোচনায় আছে।
ঘরের মাঠে টুর্নামেন্ট ধরে রাখতে কানাডার জন্য প্রয়োজন ছিল অন্তত একটি জয় বা ড্র। তারা ৭৬তম মিনিটে বদলি প্রোমিস ডেভিডের গোলে ব্যবধান একে এনে ফেরার আশা তৈরি করলেও পরাজয় এড়িয়ে যেতে পারেনি। এই আলোচিত ম্যাচ হেরে কানাডা এখন ঘরের মাঠে পরবর্তী রাউন্ড খেলতে পারছে না; তাদের নকআউট ম্যাচটি হতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়, যেখানে আগামী রোববার তারা গ্রুপ ‘এ’-এর রানার্সআপ দলের মোকাবিলা করবে।
গ্রুপ পর্ব পার হয়ে ‘বি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সুইজারল্যান্ড ২ জুলাই ভ্যাঙ্কুভারে শেষ ৩২-এর এক উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ খেলবে। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে অন্য কোনো গ্রুপের তৃতীয় স্থানধারী সেরা দলগুলোর একটি। ভ্যাঙ্কুভারের packed ভক্তদলকে স্তব্ধ করে দেওয়া এই জয়ের মাধ্যমে সুইস শিবির নকআউট লড়াইয়ের আগে আত্মবিশ্বাসী বলে মত ফুটবল বিশ্লেষকদের।














