ঢাকা | মঙ্গলবার | ১৪ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বিডা ও সুইসকন্টাক্টের মধ্যে স্মারক স্বাক্ষর

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা সুইসকন্টাক্টের মধ্যে এক বলিষ্ঠ সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও সুদৃঢ় করে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করা হবে। সম্প্রতি, রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিডা সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়, চুক্তির আওতায় তিনটি মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: প্রথমত, প্রমাণনির্ভর বিনিয়োগের পরিবেশ বিশ্লেষণ ও সুষ্ঠু সমন্বয় সাধন; দ্বিতীয়ত, বিডাকে একটি বিশ্বমানের বিনিয়োগ প্রচার সংস্থায় রূপান্তরিত করা; এবং তৃতীয়ত, খাতভিত্তিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ উন্নত করা। বিডার জনসংযোগ দপ্তর জানায়, দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের জন্য বিডা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে, যেমন বিনিয়োগ নীতিমালা সংস্কার, সেবা ডিজিটালাইজেশন এবং সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি। সুইসকন্টাক্ট ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পর্যন্ত এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন পৌরসভায় ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা উন্নয়নে কাজ করেছে। বিডার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা ও সুইসকন্টাক্ট একিসাথে নতুন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা বিডার ‘হিট ম্যাপ’ অনুযায়ী খাতভিত্তিক বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করবে। বিডা চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী) চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সরকার নানা ধরণের সংস্কার কার্যক্রম চালাচ্ছে। সুইসকন্টাক্টের সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব আমাদের ‘ইনভেস্টর-ফার্স্ট’ মডেল বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তিনি আরও বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশকে এক দক্ষ, সেবাগ্রাহী ও সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে মনে করেন। বিডা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সুইসকন্টাক্ট বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের টেকসই উন্নয়ন, ব্যবসায় প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা তৈরিতে কাজ করে আসছে। এই অংশীদারিত্বের ফলে বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, বিশেষ করে তরুণ ও নারীদের জন্য। উভয় প্রতিষ্ঠানই আশা প্রকাশ করেছে যে, এই সহযোগিতা বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশকে আরও উন্নত করবে, মানসম্পন্ন বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং টেকসই শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।