ঢাকা | সোমবার | ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বছরের শেষভাগে মুক্তি পাচ্ছে ‘আন্ধার’; বিশ্বকাপের পর শুরু হবে প্রচার

শুটিং শেষ করে গত বছর আনুষ্ঠানিক ঘোষণার পর থেকেই আলোচনায় আছে রায়হান রাফীর নতুন ভৌতিক ছবি ‘আন্ধার’। ছবির চিত্রনাট্যকার ও সহপ্রযোজক শাকিব চৌধুরী জানিয়েছেন, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ২০২৬ সালের শেষ দিকে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। বিশেষ করে চলতি বছরের বিশ্বকাপ ফুটবল শেষ হওয়ার পরই আনুষ্ঠানিক মুক্তির দিন ঘোষণা করা হবে এবং ব্যাপক প্রচারণা শুরু করা হবে।

২২১ বি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ব্যানারে নির্মিত এই হরর ঘরানার ছবিটি পরিচালনা করেছেন রায়হান রাফী। ছবিতে খেলোয়াড়-শৈলীর একঝাঁক জনপ্রিয় তারকা আছেন—সিয়াম আহমেদ, নাজিফা তুষি, চঞ্চল চৌধুরী, আফসানা মিমি, গাজী রাকায়েত, মোস্তফা মনওয়ার ও তানজিকা আমিন। একই সঙ্গে বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে নতুন দুই মুখ ফররুখ আহমেদ রেহান ও স্বর্ণালী চৈতির। ইতিমধ্যে অভিনেতাদের ডাবিং কাজ শেষ হয়েছে এবং ছবির চূড়ান্ত পোস্ট প্রোডাকশনের কাজের জন্য পরিচালক বর্তমানে ভারতে রয়েছেন।

চিত্রনাট্যের সূত্রপাত এসেছে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে—অর্থহীন ব্যান্ডের সাইদুস সালেহীন সুমন ও ক্রিপটিক ফেইটের শাকিব চৌধুরীর ভৌতিক সন্ধানের গল্প থেকেই ছবির কাহিনী বিকশিত হয়েছে। একসময় এই দুই বন্ধু দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ভৌতিক কাহিনি সংগ্রহ করতেন এবং জিবরান নামের আরেক বন্ধু নিয়ে তারা ‘ভৌতিস্ট’ নামে একটি রেডিও শো করতেন; সেই শোর ভাবনাই পরবর্তীতে ছবির গল্পের মূল ভিত্তি সরবরাহ করে। পরে আদনান আদিব খান গল্পে যোগ দেন এবং শাকিব চৌধুরী ও আদনান মিলে যৌথভাবে চিত্রনাট্য ও সংলাপ রচনা করেছেন।

নির্মাতারা বলছেন, ‘আন্ধার’কে পশ্চিমা হরর শৈলীর সরল অনুকরণের বাইরে নিয়ে গিয়ে পুরোপুরি দেশীয় প্রেক্ষাপটে নির্মাণ করা হয়েছে। কেবল ভয়ের খেলা না করে সিনেমাটিতে থ্রিলার, মর্ডার মিস্ট্রি ও গভীর আবেগময় উপাদানও ঢেলে গ্রহীতার অনুভবকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রযোজনা সংক্রান্তরা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিকমানের একটি সিনেমা উপহার দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই পোস্ট প্রোডাকশনে অতিরিক্ত সময় নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি প্রচারণার ক্ষেত্রেও দর্শকদের আকর্ষণ করার মতো বড় ধরনের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে, যা বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে।