ঢাকা | মঙ্গলবার | ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

জ্বালানি সাশ্রয়ে মার্কেট ও শপিংমলে আলোকসজ্জা কমানো হবে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম দ্রুত বাড়ছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার কারণে তেল পরিবহন ঝুঁকির মুখে পড়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও বাড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দেশের মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন শনিবার রাজধানীতে সাংবাদিকদের জানান, অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা কমিয়ে তারা জ্বালানি সাশ্রয়ে সহায়তা করতে চায়। তিনি বলেন, এটি আন্তর্জাতিকভাবে তৈরি হওয়া সংকট; আমেরিকা, ইসরায়েল ও ইরানের সংঘাতের প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। যেকোনো কারণেই হোক, আমাদের সাশ্রয়ী হতে হবে। তাই রোববার থেকে সমস্ত মার্কেটে আলোকসজ্জা ও অপ্রয়োজনীয় বাতিগুলো বন্ধ রাখা হবে।

সরকারও জ্বালানি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। ইতোমধ্যে দেশের ভেতরে জ্বালানি তেল সরবরাহ রেশনিং পদ্ধতিতে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক ভূমিকা পালনকারী জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, দেশে তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, তাই অতিরিক্ত উদ্বেগ করার প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা ঠেকাতে রোববার থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত কার্যক্রম শুরু করা হবে।

অবস্থার সংবেদনশীলতা বিবেচনায় দোকান, শপিংমল ও সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হয়েছে অনাবশ্যক ইলেকট্রিকাল অলোকসজ্জা এবং অতিরিক্ত জ্বালানি খরচ কমাতে সমন্বিতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য। সরকারের তত্ত্বাবধানে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।