দেশের পুঁজিবাজারে বুধবার সূচকগুলো বাড়ার মধ্যেও দুই প্রধান শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ আগের দিনের তুলনায় চোখে পড়ার মতোভাবে কমেছে। বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ হ্রাসের প্রভাবেই সূচক-উত্থানের পাশাপাশি মোট লেনদেন কম থাকার এই চিত্র দেখা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বুধবার প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৯২৬ পয়েন্টে শেষ করেছে। একই সময়ে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ১ পয়েন্ট তুলে ১ হাজার ২০৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১৫ পয়েন্ট বাড়ে গিয়ে ২ হাজার ২৪২ পয়েন্টে অবস্থান নিয়েছে।
তবে সূচকের ইতিবাচক গতি থাকা সত্ত্বেও ডিএসইতে সার্বিক লেনদেন হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৫১৫ কোটি ৯১ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসের ১ হাজার ৬৫১ কোটি ২৯ লাখ টাকার লেনদেনের তুলনায় ১৩৬ কোটি টাকা কম।
এদিন ডিএসইতে মোট ৪০০টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটে লেনদেন হয়েছে। সূচক বাড়ার দিনে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দরপতন করায় বাজারে মিশ্র চিত্র দেখা গেছে — ১৩১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্য বেড়েছে, ২১৮টির দর কমেছে এবং ৫১টির দাম অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের শীর্ষস্থানে থাকা প্রধান প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিল বিএসআরএম স্টিল, ব্র্যাক ব্যাংক, মালেক স্পিনিং, লাফার্জহোলসিম, বিএসসি, এসিআই, রবি, বেক্সিমকো ফার্মা, লাভেলো আইসক্রিম ও সিটি ব্যাংক।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)ও সূচক বৃদ্ধি পেলেও লেনদেন কমেছে। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৯১ পয়েন্ট বাড়ে ১৫ হাজার ৮৬৯ পয়েন্টে পৌঁছায়। এদিন সিএসইতে মোট ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০১টির শেয়ারদর বেড়েছে, ১২৫টির কমেছে এবং ৩০টির দাম অপরিবর্তিত ছিল।
সিএসইতে বুধবার লেনদেনের মোট পরিমাণ ছিল ৩২ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যা আগের কার্যদিবসে হওয়া ৭৮ কোটি ১৫ লাখ টাকার লেনদেনের তুলনায় প্রায় ৪৬ কোটি টাকা কম।
সংক্ষেপে, বুধবার সূচকগুলো মিশ্রভাবে উত্থানশীল থাকা সত্ত্বেও বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণে নেমে আসায় দু’টি প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।














