কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ‘‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটি’’ (ইবিরিইউ)-এর ২০২৬ সালের কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠনের 위한 নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সংগঠনের কার্যালয়ে ভোটগ্রহণ চলে; একই দিন দুপুরে ফলাফল ঘোষণা করে নবনির্বাচিতদের আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়।
সভাপতি পদে জয়ী হয়েছেন দৈনিক বাংলার সংবাদপ্রতিনিধি মো. সাকিব আসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক আজকালের খবরের প্রতিনিধি রবিউল আলম। শিক্ষা ও পেশাগত দায়িত্বকে সামনে রেখে তারা সংগঠনের ঐক্য ও সংবাদপেশার মানোন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার জানিয়েছেন। রবিউল আলম বলেছেন, “সংগঠনের ঐক্য বজায় রেখে পেশাগত মান উন্নয়নে আমরা মিলেমিশে কাজ করবো এবং সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় সক্রিয় থাকবো।” অপরদিকে সাকিব আসলাম বলেন, “সকলের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনের প্রতিদান দিতে আমরা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা পরিচালনায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ”
১১ সদস্যবিশিষ্ট নবগঠিত কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন — সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান তুহিন (দৈনিক ভোরের ডাক), দপ্তর সম্পাদক শাহরীয়ার স্বাধীন (ফেস দ্যা পিপল), কোষাধ্যক্ষ সামিউল ইসলাম (দৈনিক জনবাণী), তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মাশুক এলাহী (দৈনিক গণকণ্ঠ) এবং সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম (এশিয়ান টিভি)। কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মিজানুর রহমান (দৈনিক নবচেতনা), শিহাব উদ্দিন (দৈনিক তৃতীয় মাত্রা), মিনহাজুর রহমান মাহিম (দৈনিক আমাদের সময়) ও মোসাদ্দেক হোসেন (দৈনিক আজকালের কণ্ঠ)।
নির্বাচন কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম। কমিশনার ছিলেন সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. ফকরুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. মো. খাইরুল ইসলাম। নির্বাচন পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান। প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে; সকল প্রার্থীর সহযোগিতায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে।”
উপউপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী উপস্থিত থেকে বলেন, “একজন ইবিয়ান হিসেবে বলতে পারি, এখানকার সাংবাদিকরা কলিগদের সম্মান বজায় রেখে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে জোর দেন—হলুদ সাংবাদিকতার কোনো সংস্কৃতি এখানে নেই।” উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ নবকমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আশা প্রকাশ করেন যে নতুন নেতৃত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠন থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র আন্দোলন ও খেলাফত ছাত্র মজলিসের নেতৃবৃন্দও নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। নতুন কমিটি এখন আনুষ্ঠানিক কাজে যোগ দিয়ে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও পেশাদার করতে কাজ শুরু করবে।














