মাঝমাঠের মহাবিশারদ ফেডেরিকো ভালভার্দের দুর্দান্ত ফর্মে ভর করে এলচেকে ৪-১ গোলে হারিয়ে লিগে গুরুত্বপুর্ণ তিন পয়েন্ট জিতেছে রিয়াল মাদ্রিদ। এই জয়ের ফলে ২৮ ম্যাচে রিয়ালের পয়েন্ট ৬৬, যা তালিকার শীর্ষে থাকা বার্সেলোনার চেয়ে মাত্র এক কম — যদিও কাতালানরা এক ম্যাচ কম খেলেছে।
উরুগুয়ের তারকা ভালভার্দ এখন হয়ত ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছেন; চলতি মৌসুমে তার ধারাবাহিকতা নজরকাড়া—শেষ তিন লড়াইয়ে এটি ছিল তার পঞ্চম গোল। ম্যাচের প্রথমার্ধে ৩৮ মিনিটে রিয়ালকে এগিয়ে দেন জার্মান তারকা আন্তোনিও রুদিগার। এক সময় ভালভার্দের নেওয়া শক্ত শটকে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলেও ফিরতি বল নিয়েই নিখুঁতভাবে লক্ষ্যভেদ করেন রুদিগার।
বিরতির আগেই আরও একবার দলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিলেন ভালভার্দ। মাঝমাঠ থেকে একক রানের পরে সতীর্থদের সঙ্গে বল লাইন করে ডি-বক্সের ভিতর থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে জালে বল পাঠান তিনি, এবং প্রথমার্ধ শেষ হয় রিয়ালের অনুকূলে।
বিরতির পর ৬৬ মিনিটে ডিন হুইসেনের চমৎকার হেডে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়ায় ৩-০। খেলার শেষদিকে, ৮৫ মিনিটে রিয়ালের হয়ে প্রথমবার প্রধান দলে খেলা বাংলাকে পরিচয় করানো তরুণ মানুয়েল আনহেল প্রতিপক্ষের আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে দুর্ভাগ্যবশত নিজের জালে বল ঠেলে দেন, ফলে স্কোর হলো ৩-১।
তবে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দর্শকদের জন্য ছিল এক স্মরণীয় অনবদ্য দৃশ্য। তুর্কি মেয়াদী তরুণ আর্দা গুলার নিজের তীক্ষ্ণ নজর দিয়ে ডিপ লাইনের কাছ থেকে গোলরক্ষককে অপ্রস্তুত অবস্থায় দেখে দূরপাল্লার এক অসাধারণ শট নেন; বল গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে জালে ঢুকে গ্যালারিতে উৎসব বয়ে দেয় এবং রিয়ালের বড় ব্যবধান নিশ্চিত করে।
অতিরিক্ত সময়ে গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া দলের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ একটি আক্রমণ প্রতিহত করলে ম্যাচে রিয়াল ৪-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে।
এই জয়ে শিরোপা লড়াই আরও উত্তপ্ত হয়েই উঠল; আনচেলত্তির শিষ্যরা এখন বার্সেলোনার ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।














