ঢাকা | শুক্রবার | ১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

প্যারিসে পারদর্শিতায় পিএসজি ৫-২ গোলে চেলসি ধ্বংস

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের রাউন্ড অব ১৬—প্রথম লেগে পার্ক দে প্রিন্সেসে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই (পিএসজি) ঘরের মাঠে ৫-২ গোলে চেলসিকে হারিয়ে অকপটে আধিপত্য দেখিয়েছে। লুইস এনরিকের দল আক্রমণভিত্তিক ফুটবলে দর্শকদের মেলে ধরেছে এবং কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার পথে বড় সুবিধা করে নিয়েছে।

খেলার শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণে আগ্রহ দেখায়। প্রথমেই পিএসজি এগিয়ে আসে বারকোলার এক চমৎকার গোলে, কিন্তু বেশি দূর আগানোর সুযোগ পায়নি—they—চেলসির ডিফেন্ডার মালো গুস্তো দ্রুতই সমতা ফিরিয়ে দেন। প্রথমার্ধে আক্রমণ-প্রতিউদ্ধারের এক জমজমাট লড়াই চলে।

বিরতির পর পিএসজি মাত্রই এগিয়ে যায় উসমান দেম্বেলের গোলে, তাতে মনে হচ্ছিল অন্যরকম নাটক হবে। কিন্তু চেলসি লড়াই ছেড়ে দেয়নি; এঞ্জো ফার্নান্দেসের বুদ্ধিদীপ্ত শটে আবারও ২-২ করে ম্যাচ শুরু হয় নতুন করে তীব্র উত্তেজনায়।

এখান থেকে ম্যাচ সম্পূর্ণভাবে পিএসজির কাঁধে উঠে আসে। গোলরক্ষকের বিড়ম্বনাপূর্ণ এক ভুল কাজে লাগিয়ে ভিতিনিয়া পিএসজিকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এবং সেই গোলের পর চেলসির মানসিক ভারসাম্য থমকে যায়। বদলি হিসেবে নামা গ্রুজিয়ান তারকা খিচা কাভারাৎস্খেলিয়া দেখিয়ে দেন কেন তাকে বড় মঞ্চে আনা হয়—খেলার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি চেলসির রক্ষণভাগ ঝাঁজরিয়ে নিজের প্রথম গোলটি করেন।

শেষ পর্যন্ত ইনজুরি টাইমে কাভারাৎস্খেলিয়া আরও একবার জালে বল জড়ালে স্কোর দাঁড়ায় ৫-২। মাঠ ছাড়ার আগে তিনি দলের হয়ে জোড়া গোল করে ম্যাচের ভাগ্য চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করে দেন এবং চেলসিকে মাঠে খানিকটা নির্বাসিত করে রাখেন।

বড় ব্যবধানে জয়ে পিএসজি আত্মবিশ্বাসে ভর করে ফিরতি লেগের অপেক্ষায় থাকবে; তবে মর্যাদায় উজ্জ্বল সেই সুযোগ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মঙ্গলবার লন্ডনের স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে দ্বিতীয় লেগে চেলসিকে ঘরের মাঠে বড় এক পুনরুত্থান ঘটাতে হবে যদি তারা এই টায়ানো উল্টে দিতে চায়। আপাতত পিএসজি তাদের ঘরের মাঠে এক রাজকীয় জয় তুলে নিয়েছে এবং ইউরোপের অন্তরালে এগিয়ে যাচ্ছে।