ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের সময়সূচি ও ঢাকার স্থানীয় রাজনীতির উত্তাপ বাড়ায় এবার তিনি ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে লড়ার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন।
ইশরাক হোসেন সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে এ ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি নগর প্রশাসনায় অংশ নিয়ে রাজধানী মানুষের সেবা করা এবং ঢাকার উন্নয়ন কাজে সক্রিয় ভূমিকা রাখার ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন।
এর আগে গত রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপি বিভিন্ন সিটি করপোরেশনে নিজেদের নেতাদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। ঢাকার দক্ষিণ সিটিতে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালামকে প্রশাসক করে নামানো হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন দেখছে এই নিয়োগগুলো স্থানীয় ক্ষমতা কেন্দ্রিক রাজনীতিকে কীভাবে প্রভাবিত করবে।
ইশরাক হোসেনের মেয়র পদে আগ্রহ নতুন নয়। ২০২০ সালে আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি প্রয়াত মেয়র সাদেক হোসেন খোকার বড় ছেলে হিসেবে ঢাকা দক্ষিণে শেখ ফজলে নূর তাপশের সঙ্গে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তখন নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল। ৫ আগস্টের পর তাকে মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশিত হলেও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরোধিতার কারণে তিনি মেয়রের চেয়ারে বসতে পারেননি।
এবার নতুন নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে ঢাকার মেয়র প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেমন রূপ নেবে, সেটাই এখন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজরের কেন্দ্রবিন্দু। ইশরাকের ঘোষণা জেলা-নগর রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা যোগ করেছে।














