ঢাকা | সোমবার | ১৩ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৮শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

দশজনের সুইসকে হারিয়ে বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

কানসাস সিটির ভিন্ন一রুদ্ধশ্বাস সন্ধ্যায় সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠেছে reigning champions আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত ৯০ মিনিট ১-১ গোলে শেষ হলেও অতিরিক্ত সময়ে চমক দেখিয়ে লিওনেল স্কালোনির দল শেষ সীমানা পেরোয়। আগামী ১৬ জুলাই আটলান্টা স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের সঙ্গে সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে আলবিসেলেস্তেরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা আধিপত্য বজায় রাখে এবং নবম মিনিটে লিড নেয়। লিওনেল মেসির নিখুঁত কর্নার থেকে বহু দূরে লাফিয়ে উঠে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। ম্যানুয়েল আকানজি ও গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলকে পিছনে ফেলে বল জালে ঢোকে এবং আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। প্রথমার্ধটা সেই ব্যবধানে শেষ হয়।

বিরতির পর ঘুরে দাঁড়াতে ব্যাকুল সুইজারল্যান্ড আক্রমণের ধার বাড়ায় এবং ৬৭ মিনিটে সমতা আনে। বাঁ প্রান্ত থেকে এনদোয়ে রদ্রিগেজের সঙ্গে সংমিশ্রণে বক্সে ঢুকে কোণাকুনি শটে গোল করে খেলার হিসেব ১-১ করে।

কিন্তু সমতায় ফেরার মাত্র পাঁচ মিনিট পরে সুইসরা বড় ধাক্কা খায়। ৭২ মিনিটে ফরোয়ার্ড এম্বোলো ডি-বক্সের ভেতরে ফাউলের অভিনয় বা ‘ডাইভিং’-এর দায়ে দ্বিতীয় হলুদ পেয়েই মাঠ ছাড়েন এবং সুইজারল্যান্ড দশজনের দলে পড়ে।

একজন কম থাকা সুইস প্রতিরোধকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগিয়ে আর্জেন্টিনা আরও তৎপর হয়ে ওঠে। নির্ধারিত সময়ের শেষের দিকে মেসির কিছু ঝলকানো শট ও কর্নার থেকে তৈরি সুযোগ থাকা সত্ত্বেও গ্রেগর কোবেলের সংরক্ষণ অবিচল থাকায় গোল পেল না। তাই খেলাটি অতিরিক্ত সময়ে প্রবেশ করে; অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ফাইনাল ধাক্কা বসে ১১২ মিনিটে যখন হাল ছেড়ে দেওয়ার মানসিকতা প্রবল, তখন হুলিয়ান আলভারেস এক অসাধারণ দূর থেকে নেওয়া বাঁকানো শটে আর্জেন্টিনাকে আবারো এগিয়ে দেন। বল জালের কোণে গিয়ে থামে এবং উদ্বোধনী অতিরিক্ত-গোলটি বার্ষিক মুহূর্ত সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত সময়ের ইনজুরি টাইমে সুইজারল্যান্ডের ফিরতি চেষ্টাও নষ্ট হয়—কাউন্টার থেকে থিয়াগো আলমাদার-এর শট আটকালে ভয়ঙ্কর রিটার্নে লাউতারো মার্তিনেজ শূন্য জালে বল ঢুকিয়ে দেন।

ফলাফল ৩-১, এবং কানসাস সিটির স্টেডিয়ামে হাজার হাজার ভক্ত লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দলের জয়ের পর উল্লাসে মেতে ওঠে। 이제 আর্জেন্টিনা প্রস্তুত হচ্ছে সেমিফাইনালের বড় লড়াইয়ের—অ্যাবিসেলেস্তেরা আগামী সপ্তাহে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয়ে টিকে থাকার চেষ্টা করবে।