ঢাকা | সোমবার | ৬ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১শে মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

বাংলা একাডেমিতে সর্বস্তরের শ্রদ্ধায় আবুল কাশেম ফজলুল হককে শেষ বিদায়

প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, বরেণ্য চিন্তক ও লেখক অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হককে সম্মানজনকভাবে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সোমবার সকালেই বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে তাঁর মরদেহ রাখা হয়। প্রিয় শিক্ষক ও লেখককে শেষবারের মতো দেখার ও শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য সেখানে ভিড় করে অসংখ্য স্বজন, সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ফুলে-পুষ্পে ও আবেগে ভাসা সেই বিদায়ের দৃশ্য দর্শনীয় ও συγκর্ষময় ছিল।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে উপস্থিত বাংলাদেশি নানা পেশার বিশিষ্ট নাগরিক ও প্রধান বক্তারা অধ্যাপক আবুল কাশেম ফজলুল হকের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, তিনি ছিলেন মুক্তচিন্তার অনুপম প্রতীক—মানবিক মূল্যবোধ ও প্রগতিশীল চিন্তাকে গড়ে তোলায় তার অবদান অমুল্য। সমাজ নির্মাণ, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং সাহিত্যচর্চায় তার যে অনন্য ভূমিকা ছিল, তা ফলে দেশের বুদ্ধিবৃত্তিক অঙ্গনে একটি অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করেছে।

বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই শ্রদ্ধাঞ্জলির পরে সেখানে তার প্রথম জানাজা সম্পন্ন করা হয়। জানাজায় সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা, বিশিষ্ট নাগরিক ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। একাডেমির আনুষ্ঠানিকতা শেষে মরদেহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাへ নেওয়া হয়।

পারিবারিক সূত্র ও সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় মসজিদে মরহুমের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। তার পর রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় মর্যাদা শেষে তাকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে। এভাবেই সমাজ ও সাহিত্যের এই নিবেদিত সেবককে শেষ বিদায় জানানো হবে।