ঢাকা | মঙ্গলবার | ১৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১লা মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

প্রধান কোচ না থাকতেই খুলনায় শুরু অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিশেষ ক্যাম্প

গত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে পারেনি বাংলাদেশ যুব ক্রিকেট দল। আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বাধীন দলটি তখন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই বিদায় নিয়ে দেশে ফিরে এসেছিল। সেই পর থেকেই অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মাঠের কোনো তাত্ক্ষণিক কার্যক্রম বা ম্যাচ দেখা যায়নি।

২০২৮ সালের যুব বিশ্বকাপকে লক্ষ্য করে এবার নতুন করে দল গঠন ও প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তার ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি国内 ইয়ুথ ক্রিকেট লিগ সম্পন্ন করে বোর্ড, এরপর ৫০ খেলোয়াড়কে নিয়ে একটি বিশেষ ট্রেনিং সেশনও অনুষ্ঠিত করে। সেখান থেকে বাছাইকৃত ৪৬ জন ক্রিকেটার নিয়ে খুলনায় শুরু হয়েছে দুই সপ্তাহব্যাপী বিশেষ অনুশীলন ক্যাম্প, যা গত শনিবার থেকে শুরু হয়ে চলবে ২৭ জুন পর্যন্ত।

ক্যাম্পে খেলোয়াড়রা কয়েকটি দলে বিভক্ত হয়ে পাঁচটি প্রস্তুতিমূলক ওয়ানডে ম্যাচ খেলবেন; যার প্রথম ম্যাচটি আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরেছে অনেক প্রতিভাবান তরুণ, এবং এই অনুশীলনটাই তাদের বিশ্বকাপে স্বচ্ছন্দভাবে খেলার জন্য মূল মঞ্চ হিসেবে দেখাচ্ছে বিসিবি।

এই ক্যাম্পের সবচেয়ে 눈ভোলা বিষয় হলো—চলমান অনুশীলন চলেছে কোনো স্থায়ী প্রধান কোচ না থাকায়। গত মাসে চুক্তি শেষ হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচ নাভিদ নেওয়াজ আর দায়িত্বে নেই। নতুন প্রধান কোচ নিয়োগকে কেন্দ্র করে বোর্ডের ভেতরে নানা আলোচনা ও কিছু গুঞ্জন থাকলেও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্প শুরু করতে হয়েছে কোচিং স্টাফ ছাঁটাই করে নয় বরং সহকারি কোচদের দায়িত্ব বাড়িয়ে।

বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, প্রধান কোচ নিয়োগের চূড়ান্ত ঘোষণা অনুষ্ঠানিকভাবে জানানোর জন্য বোর্ড কাজ করছে এবং আশা করা হচ্ছে চলতি সপ্তাহেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চলে আসবে। প্রধান কোচ না হওয়া সত্ত্বেও ক্যাম্পের প্রযুক্তিগত ও শারীরিক ফিটনেস কার্যক্রম পরিচালনা করছেন সাবেক ক্রিকেটার দুলার মাহমুদ, মোহাম্মদ সেলিম ও আরশাদ খানরা—তারা সহকারী কোচ হিসেবে খেলোয়াড়দের দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

বিসিবির লক্ষ্য দ্রুতই প্রধান কোচ নিয়োগ করে নতুন করে গড়ে তুলতে হবে একটি প্রতিযোগিতামূলক দল, যাতে ২০২৮ বিশ্বকাপে ভালো প্রতিনিধিত্ব করা যায়। খুলনার এই ক্যাম্প সেই লক্ষ্যের প্রথম বড় পদক্ষেপ—এখান থেকে কারা জায়গা করে নেবে এবং কে কোচিং স্টাফে থাকবেন, তা নজরকাড়ার বিষয় হবে শিগগিরই।