ঢাকা | রবিবার | ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৪শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

বন্ডেড ওয়্যারহাউসের আমদানিকৃত পণ্যশুল্কায়নে দিকনির্দেশনা

উপর্যুক্ত বিষয়ের প্রতি দয়া করে মনোযোগ দিন। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে যে, বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলো কাস্টমস হাউস বা স্টেশনে পণ্য আমদানি করার সময় পণ্যের ঘোষণায় বর্ণনা ও HS কোডে পরিবর্তন হচ্ছে, বিশেষ করে পরীক্ষার সময় বা শুল্কায়নের পরে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা যায়, পণ্য ঘোষণায় উল্লেখিত বর্ণনা বা HS কোড ভিন্ন হয়ে যায়, যা তখন এন্ট্রি বা ইউডির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এর ফলে শুল্কায়নের সময় দীর্ঘ সময় লেগে যায় এবং যথাসময়ে কাঁচামাল বা পণ্য খালাসে সমস্যা হয়। ফলস্বরূপ, নির্ধারিত সময়ে পণ্য জাহাজীকরণ বাধাগ্রস্ত হয়, যা দেশের রপ্তানি কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে, বৈশ্বিক বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা এবং রপ্তানি বৃদ্ধির স্বার্থে নিম্নলিখিত নির্দেশনা দেওয়া হলো: প্রথমত, যেখানে বন্ড লাইসেন্সে উল্লেখিত বর্ণনা ও HS কোডের সঙ্গে আমদানিকৃত পণ্যের ঘোষণার HS কোড মিলে যায়, সেখানে আমদানিকারক ব্রোশিওর বা পাশপাশি একটি অঙ্গীকারনামা দাখিল করবেন যাতে তিনি বলবেন, পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত HS কোড বন্ড লাইসেন্স ও ইউডিতে অন্তর্ভুক্ত করবেন। এতে কাস্টমসের অনুমোদন পাওয়া যাবে এবং পণ্য খালাস সম্ভব হবে। দ্বিতীয়ত, যদি আমদানিকৃত পণ্যের বর্ণনা ও HS কোড পরিবর্তিত হয় এবং ভিন্ন হয়, তবে আমদানিকারক সে বিষয়ে একটি অঙ্গীকারনামা দাখিল করবেন, যেখানে নির্ধারিত süre মধ্যে সংশ্লিষ্টবলে বর্ণনা ও HS কোড আপডেট করবেন। তৃতীয়ত, যদি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত HS কোডের পরিবর্তে ভিন্ন HS কোড নির্ধারণ করে, তবে সংশ্লিষ্ট বন্ড লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠান তার প্রাপ্যতা সিস্টেমে এই পরিবর্তন অন্তর্ভুক্ত করবে। এতে করে কাস্টমসের অনুমোদন পেয়ে পণ্য খালাস কার্যকর হবে, এবং তথ্য সংশ্লিষ্ট বন্ড কমিশনারেটকে জানানো হবে। এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং বর্তমানে শুল্কায়নের অপেক্ষমাণ সব পণ্যচালানেও এটির প্রযোজ্য হবে।