ঢাকা | রবিবার | ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৩শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

পিঠাভোগকে রবীন্দ্র জীবনচর্চার গবেষণাগারে রূপান্তর করা হবে

খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, রূপসার পিঠাভোগকে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনীচর্চার গবেষণাগারে গড়ে তোলা হবে। এই গবেষণাগার স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা ও পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য শুধুমাত্র বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির অলংকার নয়; মানবতাবাদ, অসাম্প্রদায়িকতা, শান্তি ও সৌন্দর্যের এক চিরন্তন দিশারি। তাঁর কাব্য, গান, গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধ যুগে যুগে বাঙালির চিন্তা-চেতনা আলোড়িত করেছে এবং মানবিক সমাজ গঠনের স্বপ্ন দেখিয়েছে—একটি সেই সমাজ যেখানে ধর্ম, বর্ণ বা মতের ভিন্নতা মানুষকে বিভক্ত করতে পারবে না।

এ কথা বলেন এমপি আজিজুল বারী হেলাল গতকাল শনিবার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায়। অনুষ্ঠানের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ‘রবীন্দ্রনাথ ও অসাম্প্রদায়িকতা’।

তিনি আরও বলেন, রবীন্দ্র সাহিত্য আমাদের মানবিক মূল্যবোধ ধারণে, সহমর্মিতা ও শ্রদ্ধাবোধ প্রতিষ্ঠায় অনুপ্রাণিত করে। নতুন প্রজন্মকে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও দর্শনের সঙ্গে আরও গভীরভাবে পরিচিত করতে হবে, কারণ রবীন্দ্রচর্চার মধ্য দিয়েই উদার, মানবিক ও সাংস্কৃতিক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম। স্মারক বক্তা ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান। রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিকতার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) অপ্রতীম কুমার চক্রবর্তী, সহকারী কমিশনার মোঃ জাকারিয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলুসহ আরও অনেকে।

এ উপলক্ষে এমপি আরও জানান, জেলার সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সমন্বয় করে পিঠাভোগে গবেষণা, প্রদর্শনী ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম চালু করা হবে যাতে রবীন্দ্রচর্চা বিস্তৃত ও প্রাণবন্ত হয়।

এর আগে আজিজুল বারী হেলাল হীড বাংলাদেশ, খুলনা অঞ্চলের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কাজদিয়া সরকারি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কলেজ ভবনে আয়োজিত ღონისძიিতে মেধাবী ৭১ জন শিক্ষার্থীর মাঝে মোট ৩ লাখ ৩৫ হাজার ৫শত টাকার শিক্ষা বৃত্তি বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে হীড বাংলাদেশের নির্বাহী সদস্য রোজলীন অর্পিতা সরদার মান্যবর অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হীড বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আনোয়ার হোসেন এবং মাইক্রো ফাইন্যান্স উপ-পরিচালক আদিত্য কুমার বিশ্বাস।