ঢাকা | সোমবার | ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৫শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

ব্যর্থতার খরা ভাঙিয়ে আইপিএলে পাঁচ বছর পর সেঞ্চুরি পেলেন সাঞ্জু স্যামসন

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের চলমান আসরে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে সাঞ্জু স্যামসন অবশেষে দেখা দিলেন আস্থা ও বদলে যাওয়া রূপের। আসরের প্রথম তিন ম্যাচে মাত্র ৬, ৭ এবং ৯ রানের সংগ্রহ করে খেই হারানোর পর চতুর্থ ম্যাচে চেন্নাই চিপকোর ময়দানে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে তিনি এক বিধ্বংসী আক্রমণাত্মক ইনিংস খেললেন।

স্যামসন ৫২ বলেই নিজের চতুর্থ আইপিএল সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত ৫৬ বল খেলে অপরাজিত ১১৫ রানে থামেন। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল ১৪টি চারো এবং ৩টি ছক্কা; পেসারদের বিরুদ্ধে তিনি ৩৯ বল খেলেই ৮৪ রান তুলেছেন, পাশাপাশি স্পিনারদের বিরুদ্ধে ১৭ বলে ৩১ রান যোগ করেছিলেন। এই ঝড়ো ইনিংসে চেন্নাইয়ের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছিল ২১২ রানে, যেখানে স্যামসনের ভূমিকা ছিল নির্ণায়ক।

রাজস্থান রয়্যালস থেকে ট্রেডের মাধ্যমে চেন্নাইয়ে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ভক্তদের আশা ছিল উঁচু। এবার সেই প্রত্যাশার পাল্টা জবাব মঞ্চে দিয়ে দিলেন কেরালার এই উইকেটকিপার ব্যাটার। সাময়িকভাবে ড্রপ হওয়া ফর্মকে তিনি এই ইনিংসে পুরোপুরি ফেলে দিয়ে বললেন, সাময়িক অসফলতা তাঁকে গৃহবন্দি করতে পারেনি।

এই সেঞ্চুরি শুধু এক ম্যাচের জয়ের চাবিকাঠি নয়—ব্যক্তিগত দিক থেকেও এটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে: পাঁচ বছরের বিরতির পর আইপিএলে ফের সেঞ্চুরি করলেন তিনি, যা স্যামসনের জন্য বড় আত্মবিশ্বাস। চিপকের ভরপরিপূর্ণ দর্শকসহ স্ট্যাডিয়ামের উল্লাসে এ ইনিংস স্যামসনের প্রত্যাবর্তন হিসেবে মনে করা হচ্ছে।

চেন্নাই শিবিরে এই মুহূর্তের সাফল্য দলকে সান্ত্বনা ও শক্তি যোগালেও আসন্ন ম্যাচগুলো ও শীর্ষে টিকে থাকার লড়াইয়ে এর সুবিধা প্রযোজ্য হবে। স্যামসনের এই রূপান্তর একই সঙ্গে দলের মাঝেই একটি বড় সহায়ক সংকেত — নির্ভরযোগ্য এক ব্যাটার আবার খুঁটিনাটি অবস্থা ছেড়ে আক্রমণাত্মক ও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে প্রস্তুত। এই ইনিংসকে বর্তমানে প্রতিযোগিতার এক নজরকাড়া পারফরম্যান্স হিসেবে দেখা হচ্ছে।