পাবনায় ভোজ্যতেল সংগ্রহ করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগে দোষীদের শাস্তি দাবি করে কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর আয়োজনে সোমবার মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিপন্ন ক্রেতাদের অধিকার রক্ষায় বাজার মনিটরিং জোরদার ও দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোর দাবি তুলে ধরেন বক্তারা।
ক্যার্যক্রমটি বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টায় পাবনা প্রেসক্লাবের সামনে, আব্দুল হামিদ সড়কে ক্যাব পাবনা জেলা শাখার উদ্যোগে পরিচালিত হয়। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে ঘণ্টাব্যাপী অনশনে অংশ নেন জেলার বিভিন্ন পেশার মানুষ, সচেতন নাগরিক, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকরা।
মানববন্ধনে সভাপতির বক্তব্যে ক্যাবের জেলা সভাপতি এবিএম ফজলুর রহমান বলেন, ‘‘অধিক মুনাফার লোভে একটি অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট বাজার থেকে ভোজ্যতেল সরিয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে। প্রশাসন যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, সাধারণ ক্রেতারা ন্যায্যমূল্যে পণ্য থেকে বঞ্চিত হবেন—এটি ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘন। সিন্ডিকেটকে চিহ্নিত করে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।’’
ক্যাব যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিক আল কামালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে পাবনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক উৎপল মির্জা, রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহবুব মোর্শেদ বাবলা, এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুন্নাহার জলি বক্তব্য দেন। তারা সকলেই ভোজ্যতেলের কৃত্রিম ঘাটতির নিন্দা করে বাজার মনিটরিং ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পাবনা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইয়াদ আলী মৃধা (পাভেল), দপ্তর সম্পাদক মনিরুজ্জামান শিপন, সুচিত্রা সেন স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ড. নরেশ মধু এবং পাবনা কলেজের অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন। সমাবেশে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন যে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে ভোক্তাদের অর্থ ক্ষুধিত করা হচ্ছে। তারা প্রশাসনকে দ্রুত ও কড়া বাজার তদারকি, মজুদদারদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। সমাবেশ শেষে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, বাজার পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে এবং মজুদদারদের আইনের আওতায় না আনা হলে সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।














