ইসরায়েলের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বেন গুরিয়নে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতিরা। রোববার আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি জানিয়েছে, তারা উন্নত ড্রোন এবং ক্লাস্টার মিউনিশন ব্যবহার করে বিমানবন্দরটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। সারির ভাষ্য অনুযায়ী, ড্রোন ও ক্লাস্টার ক্ষেপণাস্ত্র একত্রে ব্যবহার করা হয়েছে।
একই সময় বিমানবন্দরে একটি ‘বিপজ্জনক পদার্থ’ সনাক্ত করা হলে ইসরায়েলের ফায়ার অ্যান্ড রেসকিউ সার্ভিস সতর্কতা জারি করে। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, একটি অজানা পদার্থ থেকে ধোঁয়া দেখা গেলে তৎক্ষণাত সতর্কতা নেওয়া হয় এবং বিমানবন্দর এলাকায় রুদ্ধশ্বাস পরিস্থিতি তৈরি হয়।
ঘটনার পরপরই বিমানবন্দরের সব কর্মীকে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং বিশেষজ্ঞদের একটি দল পরিস্থিতি যাচাই ও পর্যবেক্ষণে নিযুক্ত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ পদার্থটির প্রকৃতি শনাক্ত করে তা নিরাপদভাবে অপসারণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
ঘটনাস্থল ও স্থানীয় সূত্রের কথা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত হামলার বিষয়ে বিস্তারিত, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা যাত্রী-সংশ্লিষ্ট প্রভাব সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত চালানো হচ্ছে এবং সরকারি আরও ঘোষণা আশা করা হচ্ছে।
একই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ইরানের অধিকৃত এলাকায় একটি ভূপাতিত বিমানের পাইলটকে উদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ফোর্স অভিযান চালানোর সময় ইরানের সৈন্যদের সঙ্গে তাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ঘটে। আলজাজিরার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের কোহগিলুয়েহ কাউন্টির দেহদাশত শহরে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় দুই দিন আগে একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল এবং মার্কিন উদ্ধার অভিযানের মধ্যেই এ হামলাগুলোর খবর পাওয়া যায়। প্রাথমিক প্রতিবেদনে হামলায় অন্তত চারজন নিহত এবং একজন আহত হয়েছে বলে বলা হয়েছে; নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিছু জায়গায় সংঘর্ষের বিষয়ে আরও খবর পাওয়া গেলেও তা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।
ঘটনার পর পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহ ও তদন্ত চলছে; প্রাসঙ্গিক কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশনা ও অতিরিক্ত বিবৃতি পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।














