পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) ১১তম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে সহজ জিতে সুদৃঢ় সূচনা করল লাহোর কালান্দার্স। মুস্তাফিজুর রহমানের নিয়ন্ত্রিত বোলিং ও দলের সমন্বিত প্রদর্শনেই হায়দরাবাদ কিংসকে ৬৯ রানে হারিয়ে শুরু করল বর্তমানে রানার্স-আপরা।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় লাহোর। নির্ধারিত ২০ ওভারে দল হারায় ৬ উইকেট এবং সংগ্রহ করে ১৯৯ রান — একটি সম্মানজনক স্কোর। ওপেনার ফখর জামান সংগ্রহ করেন দলের সর্বোচ্চ ৫৩ রান। মাঝ এবং শেষের দিকে হাসিবউল্লাহ খান অপরাজিত থেকে ২৮ বলে কার্যকরী ৪০ রান করেন। এ ছাড়া মোহাম্মদ নাঈম ৩০ এবং সিকান্দার রাজা মাত্র ১০ বল খেলে ঝড়ো ২৪ রান করে দলের রান তাড়া সহজ করে দিতে সাহায্য করেন। অভিষেক করা পারভেজ হোসেন ইমন ব্যাট হাতে নিজেকে খুঁজে পাননি; ১৩ বলে ১৪ রানে তিনি একটি ব্যর্থ ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। হায়দরাবাদের পক্ষে রাইলি মেরেডিথ ও হাসান খান দুইটি করে উইকেট নেন।
টার্গেট তুলতে নেমে শুরু থেকেই চাপের মুখে পড়ে হায়দরাবাদ। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেট বেগতিক রেখে তারা সংগ্রহ করে ৪৮ রান, এরপরই ষষ্ঠ ওভারেই মুস্তাফিজুর রহমানের স্পর্শ আসে। নিজের প্রথম স্পেলে ২ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচায় এক উইকেট নেন মুস্তাফিজ; তাঁর কাটার-বৈচিত্র্যে ক্যাচ দেন ইরফান খান। ম্যাচে মোট ৪ ওভারের স্পেলে মাত্র ১৯ রান খরচ করে এক উইকেট নেন এই বাংলাদেশি পেসার, যার ফলে হায়দরাবাদের চেইসে চাপ আরও বেড়ে যায়।
হায়দরাবাদের কোনো ব্যাটারই বড় পুঁজি গড়তে পারেনি; দলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর ২৬ রান ছিল মার্নাস লাবুশেনের। শেষ পর্যন্ত ১৩০ রানে অলআউট হয়ে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হায়দরাবাদ তাদের পিএসএল যাত্রা শুরু করে। লাহোরের বোলিং বিভাগে হারিস রউফ, সিকান্দার রাজা ও উবাইদ শাহ প্রত্যেকে দু’টি করে উইকেট শিকার করেন।
এ পথে লাহোর কালান্দার্স টুর্নামেন্টে ইতিবাচক সূচনা করলো—খেলোনী দৃঢ়তা ও মুস্তাফিজের নিয়ন্ত্রিত বোলিং বিশেষত মনক্ষে জাগিয়েছে। এই জয়ের মধ্য দিয়ে বর্তমান রানার্স-আপরা পিএসএল শুরু করলেন আত্মবিশ্বাস নিয়ে।














