ঢাকা | বুধবার | ২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

পিএসএলে খেলতে পাকিস্তান গেলেন মুস্তাফিজ, শরিফুলসহ ছয় বাংলাদেশি

পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) চলমান আসরে খেলতে চার ক্রিকেটারসহ শেষমুহূর্তে দেশ ছাড়লেন আরও কয়েকজন বাংলাদেশি। আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া টুর্নামেন্টে এবার রেকর্ড ছয়জন বাংলাদেশি বিভিন্ন দলে সুযোগ পেয়েছেন। আজ সোমবার সকালে মুস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, পারভেজ হোসেন ইমন ও তরুণ পেসার নাহিদ রানা ঢাকায় থেকেই পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। বাকি দুই ক্রিকেটার—রিশাদ হোসেন ও তানজিদ হাসান তামিম—দ্বিতীয় ধাপে দলগুলোর সঙ্গে যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

টুর্নামেন্টে দল বেঁধে খেলায় মুস্তাফিজুর রহমান সরাসরি চুক্তিতে লাহোর কালান্দার্সে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁর সঙ্গে একই দলে আছেন পারভেজ ইমন। পেশোয়ার জালমির জার্সিতে দেখা যাবে নাহিদ রানাকে; একই জার্সিতে খেলবেন শরিফুল ইসলাম ও ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমও। আর লেগ স্পেশালিস্ট রিশাদ হোসেন খেলবেন রাওয়ালপিন্ডির হয়ে। দেশের অতিরিক্ত সংখ্যক প্রতিনিধি পিএসএলে পেয়েছে—এটাকে ক্রিকেট অঙ্গনের জন্য ইতিবাচক খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই বিদেশে থাকতে পারবে না এই ক্রিকেটাররা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তাদের প্রতি অনাপত্তি (এনওসি) দিয়েছে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত। বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ হচ্ছে ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন দ্বিপাক্ষিক সিরিজ—এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য জাতীয় দলে সময়মতো প্রস্তুতি নেওয়া। সে অনুযায়ী পিএসএলের মাঝপথে ক্রিকেটারদের দেশে ফেরার কথা বলা হয়েছে।

পিএসএলকে অনেকে বিশ্বকাপসহ বড় আসরের প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবেই দেখছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের ব্যাটিং-বোলিং কন্ডিশনে মুস্তাফিজ ও শরিফুলের মতো পেসাররা তাদের বোলিং রূপ ধারকে ধারালো করতে পারবেন। রিশাদের লেগস্পিন আর নাহিদের বোলিং গতির সঙ্গে পাকিস্তানের উইকেটের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে—এসব বিষয় নিয়েই আগ্রহী দেশের ভক্তরা।

বিসিবি ও সমর্থকরা আশা রাখছেন যে এই মুহূর্তের প্লেয়ারদের বিদেশে পাওয়া খেলা অভিজ্ঞতা তাদের জাতীয় দলে যোগ দিতে আরও কার্যকরি করবে। ১২ এপ্রিলের আগে দেশে ফিরে ক্রিকেটাররা যথাসম্ভব ফিটনেস ও কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে নিউজিল্যান্ড সিরিজে দেশের সাফল্যে অবদান রাখবেন—এমনটাই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।