কাবুলের একটি হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলায় অন্তত ৪০০ জনের প্রাণহানির খবর আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র আক্ষেপ ও নিন্দা সৃষ্টি করেছে। ঘটনার পর আফগানিস্তানের ক্রিকেট মহলে ক্ষোভ উথতো হয়েছে এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান উঠেছে।
আইপিএলে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলার অপেক্ষায় থাকা তরুণ স্পিনার এএম গজনফার সরাসরি ভারতের দিকেই সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। ১৯ বছর বয়সী গজনফার ভারতকে আফগানিস্তানের ‘‘সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও অকৃত্রিম বন্ধু’’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, বর্তমান সংকটময় মুহূর্তে দিল্লির স্বতঃস্ফূর্ত সহায়তা ও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
গজনফার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র—যেখানে সাধারণ মানুষ চিকিৎসার শেষ ভরসা খুঁজত—সেই স্থাপনাটিতেই আক্রমণ হওয়া মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি সতর্ক করে দিয়েছেন, আফগানিস্তানের গৌরবময় ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হলে তার ভয়াবহ পরিণতি পাকিস্তানের জন্যও ভয়ানক হবে।
এই হামলার বিরুদ্ধে রশিদ খানও প্রতিবাদ জানিয়ে এটিকে ‘‘যুদ্ধাপরাধ’’ وصف করেছেন, এবং নাভিন-উল-হক нынеш পরিস্থিতিকে নজিরবিহীন ও নৃশংস বলে আখ্যায়িত করেছেন। ক্রিকেটাররা বিশ্ব নেতৃবৃন্দ ও মানবিক সংস্থাগুলোর কাছে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।
তবে ইসলামাবাদ দাবি করেছে যে তারা কোনো বেসামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করেনি; তাদের বক্তব্য, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তারা সন্ত্রাসীর আস্তানাসহ সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে অভিযান পরিচালনা করেছে। পাকিস্তান তালেবান সরকারের অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে বলে জানিয়েছে।
ক্রিকেটারদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জান্তু ও মানবিক সহায়তা দ্রুত পৌঁছে দেয়ার এবং ভবিষ্যতে এমন মানবিক বিপর্যয় প্রতিরোধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জোরালোভাবে উঠেছে।














