ঢাকা | মঙ্গলবার | ১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২৮শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

অ্যানফিল্ডে রিচার্লিসনের শেষ মুহূর্তের জাদু — লিভারপুলের স্বপ্ন থমকে, ম্যানইউ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পথে

রবিবার রাতে অ্যানফিল্ডে নাটকীয় এক শেষ মিনিটে রিচার্লিসনের জোড়া গোলের বদলে শেষ মুহূর্তের একটি লক্ষ্য টটেনহামকে লিভারপুলের কাছ থেকে অমূল্য এক পয়েন্ট কেড়ে এনে দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ভাগাভাগি করে নিয়েছে দুই দল, আর লিভারপুলের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার আশা এতে বড় ধাক্কা খেয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল লিভারপুল। ১৮ মিনিটে ডমিনিক সোবোসলাইয়ের চোখধাঁানা এক ফ্রি-কিকে কিপার গুগলিয়েলমো ভিকারিও কোনোভাবেই প্রতিহত করতে পারেননি এবং লিভারপুল প্রথমার্ধেই স্কোর বোর্ডে এগিয়ে যায়। সেই গোল লিভারপুলকে প্রতিপক্ষের উপর আধিপত্য বজায় রাখতে সাহায্য করছিল।

তবে বিরতির পর টটেনহাম ফেরার দৃঢ়চিত্তই দেখিয়েছে। বিশেষ করে বদলি হিসেবে নামা রিচার্লিসন ম্যাচের শেষ মুহূর্তে র‌্যান্ডাল কোলো মুয়ানির দারুণ পাস থেকে আলিসন বেকারকে পরাস্ত করে সমতা ফেরান এবং টটেনহাম সমানের মধ্যে খেলেই শেষ পর্যন্ত মূল পয়েন্ট উদ্ধার করে। এই ফল টটেনহামের জন্য আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং অন্তর্বর্তীকালীন কোচ ইগো টিউডরের অধীনে তাদের সংগ্রহে মূল্যবান প্রথম পয়েন্ট হিসেবে রেকর্ড হয়েছে। বর্তমানে লিভারপুল ৩০ ম্যাচে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

একই রাতে ওল্ড ট্রাফোর্ডে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দৌড়ে থাকা দুই দল মুখোমুখি হলে দেখা যায় মনইউর শক্তিশালি পারফরম্যান্স। ব্রুনো ফার্নান্দেসের উৎসাহোজ্জ্বল নেতৃত্বে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অ্যাস্টন ভিলাকে ৩-১ গোলে হারায়। ৫৩ মিনিটে কাসেমিরো ইউনাইটেডকে এগিয়ে দিলেও ৬৪ মিনিটে রস বার্কলি ভিলাকে সমতায় ফেরান। তবে এরপর স্বাগতিকরা ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায়—৭১ মিনিটে ম্যাথিউস কুনহা এবং ৮১ মিনিটে বেঞ্জামিন সেসকো গোল করে ম্যাচ United-এর পক্ষে নিশ্চিত করে।

এই জয়ের ফলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অবস্থান আরও মজবুত হয়; ৩০ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ now ৫৪ পয়েন্ট। চতুর্থস্থ অ্যাস্টন ভিলার পয়েন্ট ৫১। অন্যদিকে লিভারপুলের ড্র এবং ভিলার হারের সমন্বয়ে শীর্ষ চারের অবস্থান আরও উত্তেজনাপূর্ণ ও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে।

আগামী কিছু সপ্তাহ সেই দলগুলোকে চূড়ান্তভাবে আলাদা করে দেবে — কারা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টিকিট পাবে তা নির্ধারণ হবে খেলা ও ফলাফলের উপর। ফুটবলপ্রেমীরা এখনই টেবিলের প্রতিটি লড়াইকে নতুন করে চোখে রাখছে।