ঢাকা | মঙ্গলবার | ৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৪ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

আগামী দিনের কাজ হবে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলানো — তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামীর আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে যোগ দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্য বদলানোই আগামী দিনের প্রধান কাজ হবে বলে 강조 করেছেন। তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, এই ইফতারে এসে আমরা সবাই আল্লাহর নামে শপথ করি যে, আমাদের আগামী কাজগুলো হবে দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমান ও ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে নিবেদিত থাকবে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সংসদে বিরোধী দলটির আমন্ত্রণে তিনি ইফতারে অংশ নেন। উপস্থিত লোকজনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান আল্লাহর দরবারে রহমত চাইতে ও দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার তৌফিক প্রার্থনা করতে সকলকে অনুরোধ করেন।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন অনেক প্রত্যাশা, আকাঙ্ক্ষা ও আশা নিয়ে নেতৃবৃন্দের দিকে তাকিয়ে আছে—বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একত্রিত হয়েছি। দেশের সমসাময়িক পরিস্থিতিতে সমাজ ও রাজনীতিকে সামনে নেওয়ার জন্য সবাইকে কাজ করতে হবে।’’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘‘যে ত্যাগের বিনিময়ে আমরা গণতন্ত্রের বর্তমান সুযোগটুকু পেয়েছি, সেটাই আমাদের দায়িত্ববোধকে তাগিদ দিচ্ছে। হাজারো মানুষের ত্যাগ ও অনেকের নির্যাতনের মধ্য দিয়ে আমরা বাকস্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেয়েছি; এজন্য প্রথমে আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত।’’

ইফতারে তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান একই টেবিলে ছিলেন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, মঈন খান, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জাগরণের মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ বিভিন্ন দল, সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তি, সাংবাদিক ও নানা পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান প্রাথমিকভাবে ধর্মীয় ভাবধারায় এবং রাজনৈতিক সহযোগিতার আহ্বানে সীমাবদ্ধ থাকলেও বক্তারা বারবার দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।