ঢাকা | রবিবার | ১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

আগামী দিনের কাজ হবে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নিয়ে বলেন, আগামী দিনের কাজগুলো হবে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দিকে নিবদ্ধ করা। দাওয়াত দেওয়ার জন্য তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে আগলে ছিলেন, ‘‘আজকের এই ইফতার মাহফিলে আসুন আমরা আল্লাহর নাম নিয়ে শপথ করি যে, আমাদের আগামী দিনের কাজগুলো হবে এই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। আল্লাহর দরবারে আমরা সেই রহমত চাই, যাতে আমাদেরকে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার তৌফিক দান করেন।’’

ইফতারের মঞ্চে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সংসদে বিরোধীদলের আমন্ত্রণে তিনি অংশ নেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তারেক রহমান দর্শক ও অতিথিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, দেশবাসী আজ অনেক প্রত্যাশা ও আশা নিয়ে রাজনৈতিক দলের ওপর নজর রাখতে থাকে। ‘‘আজ আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে একত্রিত হয়েছি—দেশের এমন একটি মুহূর্তে যখন সবাই একযোগে ভাবছে ভবিষ্যত সম্পর্কে,’’ তিনি যোগ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এতো ত্যাগ ও আত্মত্যাগের ফলে আজ আমরা গণতন্ত্রের যে যাত্রা ফিরে পেয়েছি, বাক-স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ ফিরে এসেছে। ‘‘এই সমস্ত ত্যাগের বিনিময়ে যে অধিকারগুলো আমরা পেলাম, সেজন্য প্রথমেই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করা উচিত,’’ তিনি বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পাশে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান একই টেবিলে বসেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন বিএনপি ও জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, মঈন খান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জাগপা’র মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, ডাকসুয়ার ভিপি সাদিক কায়েমসহ সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তি, সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশার মানুষ।

আয়োজকরা এবং উপস্থিত ব্যক্তিরা ইফতারের আয়োজন ও মিলনের মুহূর্তকে গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং আগামী দিনের কর্মসূচি ও মানুষের কল্যাণে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।