হলিউডের জনপ্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্ক্রিম’ সিরিজের সপ্তম কিস্তি ‘স্ক্রিম সেভেন’ শুক্রবার বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। শুধু যুক্তরাষ্ট্রে নয়, বাংলাদেশের দর্শকরাও একই দিনে এই সিনেমা উপভোগ করার সুযোগ পেয়েছেন। ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্স ও ব্লকবাস্টার সিনেমাসসহ বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে এই সিনেমা এখন দেখানো হয়েছে।
এই দীর্ঘ তিন দশকের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটি নতুন করে দর্শকদের মনোযোগ কাড়ে, তবে এর নির্মাণ প্রক্রিয়া নিয়েও শুরু হয়েছে ব্যাপক বিতর্ক। বিভিন্ন গণমাধ্যমের সূত্রে জানা গেছে, সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানের সময় যুক্তরাষ্ট্রে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনকারীরা ‘স্ক্রিম সেভেন’ বয়কটের ডাক দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। এই বিক্ষোভের মূল কারণ হলো, সিনেমার প্রধান অভিনেত্রী মেলিসা ব্যারেরাকে হুট করে ছবির থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায়।
সিনেমায় ফিলিস্তিনের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমর্থন জানানোয় প্রযোজনা সংস্থা স্পাইগ্লাস মিডিয়া গ্রুপ মেলিসাকে বরখাস্ত করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বজুড়ে ভক্তদের মধ্যে তোপের মুখে পড়েন তারা। এরপর, সহ-অভিনেত্রী জেনা ওর্তেগা এবং প্রধান পরিচালকের উদ্যোক্তাও এই প্রকল্প থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করেন।
এমন পরিস্থিতিতে সিনেমাটির পরিচালক কেভিন উইলিয়ামসন এক সাক্ষাৎকারে তার মতামত ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বর্তমান পৃথিবীর অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে মানুষ চায় তাদের বক্তব্য সকলের কাছে পৌঁছাক। তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্বে অনেক দারুণ ঘটনা ঘটছে, এবং মানুষ চায় তাদের কণ্ঠস্বর শোনা হোক।” বিক্ষোভকারীদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করলেও সিনেমা বয়কটের আদৌ পরিস্থিতির সমাধান কি না, তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তবে, তিনি মনে করেন, প্রত্যেকের নিজের বিবেকের কথা শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
সিনেমাটি নানা চড়াই-উতরাই এবং সৃজনশীল পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তৈরী হয়েছে। এতে ফের অভিনয় করছেন সিডনি প্রেসকট চরিত্রে নেভ ক্যাম্পবেল। নতুন গল্পে দেখা যাবে, সিডনির মেয়ের ওপর এক নতুন মুখোশধারী খুনি বা ‘ঘোস্টফেস’ এর নজর পড়েছে। সিনেমায় আরও সহযোগী অভিনয় করেছেন কোর্টনি কক্সসহ অন্যান্য জনপ্রিয় তারকা। এখন দেখার বিষয়, এই বিতর্কের মাঝেও সিনেমাটি বক্স অফিসে কতটা সফলতা অর্জন করতে পারে।














