পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, সকালে ঢাকা ত্যাগ করে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। এটি তার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কোনো বিদেশি সফর। তিনি জেদ্দায় অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে অংশ নেবেন, যেখানে তারা অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন। এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে ওআইসি (ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা) এই পরিষদের পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ের শীর্ষ সভায়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সফরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবির।
বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, জেদ্দায় ওআইসি সাধারণ সচিবালয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এই বৈঠকে ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। সেখানে বসতি সম্প্রসারণ, সংযুক্তকরণ এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াগুলো নিয়ে মতবিনিময় হবে।
ওআইসি জানিয়েছে, এই জরুরি অধিবেশনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবস্থান সমন্বয় করা হবে এবং ইসরায়েলের অবৈধ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া জানানো ও সম্ভাব্য কর্মসূচি নির্ধারণের জন্য আলোচনা হবে।
সম্প্রতি ইসরায়েল দখলকৃত পশ্চিম তীরের কিছু জমিকে ‘রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি’ হিসেবে ঘোষণা করে বসতি স্থাপনের কার্যক্রম শুরু করেছে। এই পদক্ষেপটি দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূমির আইনি, রাজনৈতিক ও জনসংখ্যাগত অবস্থান পরিবর্তনের একটি বৃহৎ চেষ্টার অংশ এবং দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের বাস্তবায়নকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে এই ইস্যুতে মতবিনিময় করে ভিন্নমত নিয়ে একসাথে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।












