টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘বি’তে সুপার এইটে ওঠার কথা আগে থেকেই আলোচনায় ছিল অস্ট্রেলিয়া ও শ্রীলঙ্কার নাম। কিন্তু জিম্বাবুয়ে সেই অংশটুকু পুরোপুরি উলটেপাল্টে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়াকে আগেই হারানোর পরে গত বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কাকেও পরাজিত করে তারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সুপার এইটে উঠেছে।
জিম্বাবুয়ের এই বড় জয়কে নেতৃত্ব দিয়েছেন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। ২৬ বলে ৪৫ রানের ঝড়ো ব্যাটিং করে তিনি ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন এবং দলের জয়ে বড় অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেন। একই সঙ্গে এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ২০তম ‘ম্যাচ সেরার’ পুরস্কারটি পেয়ে নতুন নজির গড়েছেন।
এই রেকর্ডে সিকান্দার জিম্বাবুয়ের পাশাপাশি আইসিসি ফূল-মেম্বার দেশগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে শীর্ষে উঠে এসেছেন। আগে ভারতের ব্যাটসম্যান সূর্যকুমার যাদবের নাম ছিল আলোচনায়—তাঁর মোট ছিল ১৭টি ম্যাচ সেরা পুরস্কার—কিন্তু সিকান্দার এখন তা ছাড়িয়ে গেছেন।
টেস্ট না খেলা দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে মাত্র মালয়েশিয়ার বিরানদীপ সিং এগিয়ে আছেন; তাঁর সংগ্রহ ২২টি ম্যাচ সেরার পুরস্কার। বয়সকেও টপকে গেছেন সিকান্দার—৩৯ বছর ৩০১ দিন বয়সে ম্যাচ সেরা হয়ে তিনি রোহিত শর্মার পুরোনো রেকর্ড ভাঙেছেন, যে রেকর্ডটি রোহিত ৩৭ বছর বয়সে করেছিলেন বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।
এবার সুপার এইটে উঠে জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য স্পষ্ট: বাকি দলগুলোর সঙ্গে লড়াই করে আরও চমক দেখানো এবং খেলায় নিজেদের শক্তি প্রমাণ করা। সেদিক থেকে সিকান্দারের ফর্ম ও নেতৃত্ব জিম্বাবুয়েকে আত্মবিশ্বাস দিয়েছে এবং বিশ্বকাপের পরবর্তী পর্যায়ে তাদেরকে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা হচ্ছে।














