জাতিসংঘ বাংলাদেশের জনগণকে তাদের সাম্প্রতিক নির্বাচন ও ঐতিহাসিক গণভোট সফলভাবে সম্পন্ন করার কারণে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানিয়েছে। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সংস্থার মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের পক্ষে মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক ওই অভিনন্দন বার্তাটি এক ব্রিফিংয়ে পাঠান।
সংস্থাটি বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্খা ও প্রয়াসের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের ভবিষ্যৎ পুনর্গঠন ও সমৃদ্ধি অর্জনে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ডুজারিক বলেন, নির্বাচনের পরে জাতীয় ঐক্য জোরদার করা এবং গণতান্ত্রিক প্রথাগুলো রক্ষা করার ওপর জাতিসংঘ বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে।
মুখপাত্র আরও বলেন, দেশের সব রাজনৈতিক পক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনকে তারা আইনের শাসন বজায় রাখার ও প্রতিটি নাগরিকের মানবাধিকারের সুরক্ষায় সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানাচ্ছে। বিশেষভাবে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও তাদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করার প্রয়োজনীয়তা তিনি গুরুত্বের সঙ্গে নির্দেশ করেছেন।
ডুজারিক বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের পর জনগণের সরকারের প্রতি যে প্রত্যাশা তৈরি হয়, জাতিসংঘও তা পূরণে উৎসাহিত। তারা একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা দেখতে চায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করেই দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব।
সংস্থাটি এক যুক্তিসংগত অভিনন্দনকে কেবল আনুষ্ঠানিকতা হিসেবে দেখছে না; বরং এটি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সুশাসন, ন্যায়বিচার ও উন্নতির প্রত্যাশার প্রতি বিশ্বসংস্থার অঙ্গীকার।
শেষে জাতিসংঘ আবারও বাংলাদেশের সঙ্গে শান্তি ও উন্নয়নের লক্ষ্যে অংশীদার হিসাবে কাজ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। সংস্থাটি মনে করে, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আরও বলিষ্ঠ অবস্থান অর্জন করবে এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। প্রয়োজনে কারিগরি ও কূটনৈতিক সহায়তা প্রদানে জাতিসংঘ সবসময় প্রস্তুত থাকবে বলেও ব্রিফিংয়ে জানানো হয়েছে।












