পানামার সর্বোচ্চ আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ডের পানামা খালের দুটি বন্দরের পরিচালক নিয়োগের চুক্তি বাতিল করেছে, যেখানে হংকং ভিত্তিক সংস্থা সিকে হাচিসনের সঙ্গে চুক্তি ছিল। এই সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের চাপকে অন্যতম কারণ মনে করা হচ্ছে। এর ফলে দেশটির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতীয় পদ্ধতিতে সমঝোতা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সিকে হাচিসন জানিয়েছে, তারা পানামার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনী পথে লড়াই করবে। অন্যদিকে, চীনের হংকং ও ম্যাকাও বিষয়ক দপ্তর গতকাল বুধবার এই রায়কে ‘অযৌক্তিক, লজ্জাজনক ও করুণ’ উল্লেখ করে প্রতিবাদ জানিয়েছে। দপ্তরটি বলেছে, পানামার আদালত তথ্য উপেক্ষা করেছে, বিশ্বাসে ভাটা দেখিয়েছে এবং হংকং ও চীনের প্রতিষ্ঠানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তারা আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ব্যবস্থাকে রক্ষা করতে চীন যথেষ্ট সক্ষমতা রাখে এবং সুদক্ষ উপায় অবলম্বন করছে। চীন সতর্ক করে দিয়েছে যে, যদি পানামা এই রায় কার্যকর করতে এগিয়ে যায়, তবে দেশটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে বড় মূল্য ভোগ করতে হবে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে পানামার সুপ্রিম কোর্ট সিকে হাচিসনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্টস কোম্পানির চুক্তি বাতিল করে। এই প্রসঙ্গে, চীন পক্ষ থেকে অভিযোগ ওঠে যে, যুক্তরাষ্ট্রের মতো কিছু দেশ চাপ ও হস্তক্ষেপের মাধ্যমে অন্য দেশগুলোকে নিজেদের প্রভাবের আওতায় আনছে এবং পানামা স্বেচ্ছায় আধিপত্যশীল শক্তির কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। পানামা খাল দিয়ে এখনকার দিনে প্রায় ৪০ শতাংশ কনটেইনার পরিবহন হয়, যা বিশ্বের মোট বাণিজ্যের প্রায় ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।














